দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার খয়েরবাড়ী বালুপাড়া পৌর আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রায় এক কিলোমিটার মেঠো পথ পাকাকরণ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন প্রকল্পের বাসিন্দারা।
দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাঁচা রাস্তাটির দিকে সুদৃষ্টি না দেওয়ায় বর্ষা মৌসুমে কাদা-পানিতে চলাচল করতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।
খয়েরবাড়ী হাটগামী মূল পাকা সড়ক থেকে বালুপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার মেঠো পথটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাসিন্দারা। বর্ষাকালে মেঠো পথটি কাদা ও পানি জমে থাকায় রিকশা-ভ্যানসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের অধিকাংশই শ্রমজীবী। তাদের অনেকেই রিকশা-ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। মেঠো পথের বেহাল অবস্থার কারণে বর্ষা মৌসুমে অনেক সময় তারা রিকশা-ভ্যান নিয়ে বের হতে পারেন না। এতে আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পড়তে হয় বলে জানান তারা।
শুধু চলাচলের রাস্তা নয়, আশ্রয়ণ প্রকল্পের অভ্যন্তরেও রয়েছে পানি নিষ্কাশনের সমস্যা। সামান্য বৃষ্টিতেই বিভিন্ন স্থানে পানি জমে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে মশা-মাছির উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
এদিকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের একটি বড় অংশ ফুলবাড়ী পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের ভোটার হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নাগরিক সুবিধা ও উন্নয়নমূলক কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন। ফলে সড়ক, ড্রেনেজসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুবিধা থেকে তারা দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত রয়েছেন বলে দাবি তাদের।
আশ্রয়ণের সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান জানান, ইতোপূর্বে উপজেলা প্রশাসনের কাছে একাধিকবার এ বিষয়ে আবেদন দিয়েও কোন সুরাহা হয়নি।
এমতাবস্থায়, ২১ সেপ্টেম্বর (সোমবার) ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদনপত্রে পৌর আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের
পক্ষে ৫ নম্বর খয়েরবাড়ী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত খয়েরবাড়ী বালুপাড়া পৌর আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা দ্রুত পাকাকরণ, প্রকল্পের অভ্যন্তরে পানি নিষ্কাশনের জন্য নদীর সংযোগ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় ড্রেন নির্মাণ এবং মসজিদ ও কবরস্থানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
বাসিন্দারা জানান, সড়কটি পাকাকরণ ও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হলে তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। পাশাপাশি জীবিকা নির্বাহ, শিক্ষার্থী ও রোগীদের যাতায়াতসহ দৈনন্দিন চলাচলে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন তারা
উপদেষ্টা ড. সরকার মো.আবুল কালাম আজাদ। সম্পাদক : সরকার মো. আব্দুল মা'বুদ জীবন। প্রকাশক : মোছা. বর্না খাতুন। নির্বাহী সম্পাদক : টুটুল হুমায়ুন। ঠিকানা : বাড়ী, নীল অপরাজিতা, ২১৯/৪- ক দক্ষিণ পীরেরবাগ, আগারগাঁও ঢাকা, যোগাযোগ : +৮৮০১৮১৪৯৯০৫৪৬, ইমেইল : smjiboneditor@gmail.com
© All rights reserved © NagorikKontho