শ্রীনগরে গলায় ফাঁস দেয়া ও পুকুরে ভাসমান অবস্থায় পৃথক দুটি লাশ উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে পারিবারিক কলহের জেরে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় এক স্কুল ছাত্রী ও কচুরী ভরা পুকুরে ভাসমান অবস্থায় ৫০ বছর বয়সী এক মৃগী রোগী পৃথক দুটি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার বাঘড়া ইউনিয়নের মধ্য বাঘড়া থেকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় এক স্কুল ছাত্রীর ও বিকেল ৫ টার দিকে বাড়ৈখালী ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ড এলাকায় পুকুর থেকে এক মৃগী রোগীর পৃথক দুটি লাশ উদ্ধার করে শ্রীনগর থানা পুলিশ।
স্থানীয় ও থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায়, মধ্যবাঘড়া এলাকার বাবুল মৃধা দম্পত্তি দীর্ঘদিন যাবৎ পারিবারিক বিষয় নিয়ে নবম শ্রেনীতে পড়ুয়া সন্তান সামিয়া(১৫)এর সামনে ঝাগড়াঝাটি করত।সন্তান হিসেবে সামিয়া অনেক বার নিষেধ করলেও বাবা-মা উভয়েই সন্তানকে উপেক্ষা করে ঝগড়া চালিয়ে যেত। বাবা-মার ঝগড়া বন্ধ করতে না পেরে মনের কষ্টের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের আড়ার সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
অপর দিকে বাড়ৈখালী গ্রামের মৃত মরণ শেখের ছেলে স্বপন শেখ(৫০)দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন।গতকাল বুধবার এশার নামাজের সময় বাড়ীর কাউকে না জানিয়ে নিখোঁজ হন তিনি।আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়ীর পার্শ্বে তাছির শেখের কচুরী ভরা পুকুরে স্বপনের ভাসমান লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে সংবাদ দেন স্থানীয়রা।
শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা জানান,সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে এবং দুটি লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী শেষে দুই অপমৃত্যু মামলা প্রত্রিয়াধীন।



















