সংবাদ শিরোনাম
গাবতলী-মিরপুরে ঘাট দখল ও চাঁদাবাজি: রাসেলকে জড়ানো নিয়ে আপত্তি, বৈধ কাগজপত্র দেখিয়ে চ্যালেঞ্জ
বিশেষ প্রতিবেদক
রাজধানীর গাবতলী ও মিরপুর এলাকায় ঘাট দখল এবং চাঁদাবাজির বিষয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সংবাদকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হয়েছে। উক্ত সংবাদে প্রকাশিত অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই উল্লেখ করে শ্যামলা আহমেদ রাসেল নিজের বৈধ ঠিকাদারি লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রকাশ করে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন।
প্রকাশিত খবরের পরিপ্রক্ষিতে স্পষ্ট করা হয় যে, সংশ্লিষ্ট ঘাটের ইজারাদার সরকারি আইন ও নিয়মকানুন মেনে বৈধ উপায়ে ঘাট পরিচালনা করছেন। সরকার নির্দেশিত নির্ধারিত রাজস্ব পরিশোধ করেই ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে কোনো ধরনের ‘ঘাট দখল’ বা ‘চাঁদাবাজি’র মতো অবৈধ কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ অবাস্তব ও ভিত্তিহীন।
প্রমাণ সাপেক্ষে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান:
অভিযোগের শতভাগ সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সরকারি নথি, ইজারা চুক্তি, অনুমোদিত টোলের তালিকা এবং নিয়মিত রাজস্ব প্রদানের চালানের মতো দাপ্তরিক কাগজপত্র খতিয়ে দেখার আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্যবসায়ী এবং পরিবহন শ্রমিকদের সাথে সরাসরি কথা বলে একটি নিরপেক্ষ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার অনুরোধ করা হয়।
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের প্রতিবাদ:
রাসেলকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়িয়ে এই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে উল্লেখ করে বলা হয়, তথ্যের সত্যতা যাচাই না করে বিভ্রান্তি ছড়াতেই এই অপপ্রচার চালানো হয়েছে। আইনি ও বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করে যেকোনো ধরনের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের মুখোমুখি হতে তিনি প্রস্তুত রয়েছেন।
যদি তদন্তে অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়, তবে ভুল তথ্য সংশোধন করে সঠিক তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে যথাযথ প্রতিকার সুনিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
ট্যাগস :
























