মিরপুরে আবাসিক হোটেলের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

মিরপুরে আবাসিক হোটেলের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ।
>>দারুস সালাম থানাধীন গেস্ট হাউস ও আবাসিক হোটেল ঘিরে বাড়ছে অপরাধ, তদন্তের দাবি স্থানীয়দের।
রাজধানীর মিরপুরের দারুস সালাম থানা এলাকায় আবাসিক হোটেল ও গেস্ট হাউসের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বৈধতা, পরিচালনার অনুমোদন এবং সেখানে কী ধরনের কার্যক্রম চলছে-তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, কিছু আবাসিক হোটেল ও গেস্ট হাউসের আড়ালে মাদকসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মিরপুর-১ নম্বর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত হোটেল গার্ডেন ভিউ নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, হোটেলটির আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে এবং এর সঙ্গে কদু আজাদ ও জগদীশ নামে দুই ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে আরও জানা গেছে, হোটেলটির আশপাশে বিভিন্ন সময় দালালচক্রের আনাগোনা দেখা যায়। তারা পথচারী ও সম্ভাব্য গ্রাহকদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এতে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হচ্ছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, আবাসিক হোটেলের বৈধতা ও কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করা হলে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ কমে আসতে পারে। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন হোটেলটির লাইসেন্স, অতিথি নিবন্ধন, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং পরিচালনাসংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।
অভিযোগকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হোটেলটির ভেতরে মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার কিছু দৃশ্যের ভিডিও ফুটেজ তাদের কাছে রয়েছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে হোটেল গার্ডেন ভিউ কর্তৃপক্ষ, কদু আজাদ ও জগদীশের বক্তব্য জানা যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, আবাসিক হোটেলের বৈধতার আড়ালে যদি কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি কোথায়? বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা উদঘাটন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এই অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য, ভিডিও ফুটেজ ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে আগামী সংখ্যায়।























