দারুসসালাম থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগ দিয়ে নিজেই লেগুনা স্ট্যান্ড দখলের অভিযোগ বিপ্লবের বিরুদ্ধে

রাজধানীর দারুসসালাম থানা এলাকায় লেগুনা স্ট্যান্ড দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে তুলে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, বিপ্লব হোসেন। তবে স্থানীয় সূত্র ও সরজমিনে অভিযোগ উঠেছে, অন্যের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির নালিশ জানিয়ে তিনি মূলত নিজেই উক্ত লেগুনা স্ট্যান্ডের একক নিয়ন্ত্রণ তিনটি নিয়ে বাকি দুইটি দখলের নেওয়ার পায়তাড়া করছেন।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, বিপ্লব হোসেন, (৫৪)পিতা: মৃত নূর মোহাম্মদ বাচ্চু, গ্রাম: খোবড়া, থানা ও জেলা: গোপালগঞ্জ, বর্তমানে সাভারের রাজাশন এলাকায় বসবাসকারী—সম্প্রতি দারুসসালাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ১ নং বিবাদী মোস্তফা জগলুল পাশা পাপেল (৫৫), ২ নং বিবাদী গোলাম রসুল পারভেজ (৪৫), ৩ নং বিবাদী মির্জা মামুন (৩২) সহ ২৯ জন নামীয় এবং আরও ১৫/২০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও দখলদার।
অভিযোগপত্রে বিপ্লব দাবী করেন, বিবাদীরা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এতদিন তাদের সমিতির নিবন্ধিত লেগুনা থেকে প্রতিদিন গাড়িপ্রতি ৩৫০ টাকা করে অবৈধ চাঁদা আদায় করত এবং সমিতি সচল রাখতে বাধা সৃষ্টি করত।
তবে ঘটনার অনুসন্ধানে ভিন্ন চিত্র ফুটে উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, উক্ত সমিতিতে নেতৃত্ব কেন্দ্রিক অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা দীর্ঘদিনের। বিপ্লব হোসেন থানায় প্রতিপক্ষের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে আইনি পদক্ষেপের আড়ালে মূলত পুরো লেগুনা স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিতে চাইছেন। অভিযোগের তীর যাদের দিকে ছোড়া হয়েছে, তাদের দাবি—বিপ্লব নিজে গোপালগঞ্জের স্থায়ী বাসিন্দা ও নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত,৫ আগস্টের এলাকা থেকে পলায়নের পর বিএনপির সাজু গ্রুপের কিছু লোকজন বিল্পব, দাতা আলমগীর, আওয়ামীলীগের দোসর ও হারুন, রাসেল সহ অঙ্গাত ২০/৩০ জন নিয়ে রাজনৈতিক প্রভাবের দোহাই দিয়ে এলাকায় একক আধিপত্য বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়েছেন। মাজারের অপর পার্শের ডাইমনেশন স্টান্ড এপার -ওপার সহ মিরপুরে বেশ কিছু লেগুনাস্টান্ড দখলে নেন।
একটি সিসি ফুটেসে দেখা যাচ্ছে রাসেল নামের ব্যাক্তি পিস্তল কোমড় থেকে বের করে প্রদশর্ন করতে।সে সময়ে কয়েকজনকে মারপিট করে বের করে দেওয়া হয় নজরুল ইসলাম সহ কয়েকজনকে।
এ বিষয়ে দারুসসালাম থানা পুলিশ জানায়, একটি এরকম ঘটনা কথা শোনা গেছে থানায় এসে লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।






















