ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনতা ব্যাংক পিএলসি’র নতুন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) মো: ইকবাল হোসেন খাঁ গাবতলী-মিরপুরে ঘাট দখল ও চাঁদাবাজি: রাসেলকে জড়ানো নিয়ে আপত্তি, বৈধ কাগজপত্র দেখিয়ে চ্যালেঞ্জ জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সরকারি সফরে টোকিও গেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠন,সভাপতি ইমামুল ইসলাম সিকদার রনি, সাধারণ সম্পাদক মামুন মিরপুরে পুলিশের চেকপোস্টে সংকেত অমান্য করে পালানোর চেষ্টা, বিদেশি পিস্তলসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে সাংবাদিকের বাবা হত্যা মামলার প্রধান আসামি তুহিন গ্রেফতার সাতক্ষীরার তালায় গোবরের গর্তের পানিতে পড়ে দুই বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা তেল ছাড়াই নরম ও ফুলকো আলুর পরোটা তৈরির সহজ রেসিপি মাগুরায় বাস-অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ: ভিবিডির ৪ স্বেচ্ছাসেবকের মর্মান্তিক মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানায় অনিয়মের অভিযোগ, প্রধান ফটক হকারদের দখলে, দর্শনার্থীদের তীব্র ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক

​রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানার ভেতরের ও বাইরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে উঠেছে মারাত্মক অনিয়মের অভিযোগ। চিড়িয়াখানার প্রধান ফটক ও আশপাশের যানবাহন চলাচলের সড়ক হকারদের দখলে চলে যাওয়ায় সাধারণ দর্শনার্থীদের হেঁটে চলাচলের উপায়টুকুও অবশিষ্ট নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলাএবং পার্কিং ইজারাদারদের ক্ষমতার দাপটে আজ জিম্মি দেশের দূর-দূরান্ত থেকে ঘুরতে আসা বিনোদন প্রেমী মানুষ।

​হকার দখল ও বাৎসরিক মাসোহারা বাণিজ্যঃ

​অনুসন্ধানে জানা যায়, চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ এবং পার্কিং ইজারাদারদের পরোক্ষ যোগসাজশে প্রধান ফটকের সামনের রাস্তায় সারিবদ্ধভাবে বসানো হয়েছে ভাসমান দোকান। এসব দোকান থেকে মাসিক ভিত্তিতে ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত মাসোহারা এবং এককালীন ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত অবৈধ টাকার বিনিময়ে দোকান বসার মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে।প্রভাবশালী এক মন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে পার্কিং ইজারাদাররা এসব অপকর্ম ও চাদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ সাধারণ হকার ও স্থানীয়দের।
​
​অভিযোগের শেষ এখানেই নয়; চিড়িয়াখানা গেটের বাম পাশে ‘নতুন পার্কিং’-এর অজুহাতে আসা যানবাহনের কাছ থেকে নির্ধারিত হারের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। রসিদ ছাড়া কিংবা ভুয়া রসিদে অতিরিক্ত টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে দূর-দূরান্ত থেকে আসা বাস, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়ির চালকদের। অথচ চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ পুরো বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করে নীরব ভূমিকা পালন করছে। এতে সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের দানা বাঁধছে এবং সরকারের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
​দর্শনার্থীদের ক্ষোভ ও ভোগান্তিঃ
​পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা সাধারণ দর্শনার্থীরা জানান, মূল গেটে ঢুকতেই হকারদের হাঁকডাক এবং যানবাহনের জটলায় পড়তে হয়। হাঁটার কোনো সুনির্দিষ্ট পথ নেই। নিরাপত্তাহীনতার পাশাপাশি কেনাকাটায় প্রতারিত হতে হচ্ছে অহরহ। এ যেন এক নৈরাজ্যের সাম্রাজ্য।
​এসব বিষয়ে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তবে জাতীয় চিরিয়াখানার পরিচালকে এবিষয়ে  মুঠোফোনে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।তবে খুদে বার্তায় বিষয়টি দেখায় কথা বলেন।  পার্কিং কর্তৃপক্ষের ক্ষমতার উৎস ও চিড়িয়াখানার ভেতরের অন্যান্য চাঞ্চল্যকর অনিয়মের বিস্তারিত নিয়ে তথ্য নিয়ে আসছে বিস্তারিত আসছে দ্বিতীয় পর্বে…

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ১২:২৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
২৩ বার পড়া হয়েছে

মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানায় অনিয়মের অভিযোগ, প্রধান ফটক হকারদের দখলে, দর্শনার্থীদের তীব্র ভোগান্তি

আপডেট সময় ১২:২৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

​রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত জাতীয় চিড়িয়াখানার ভেতরের ও বাইরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে উঠেছে মারাত্মক অনিয়মের অভিযোগ। চিড়িয়াখানার প্রধান ফটক ও আশপাশের যানবাহন চলাচলের সড়ক হকারদের দখলে চলে যাওয়ায় সাধারণ দর্শনার্থীদের হেঁটে চলাচলের উপায়টুকুও অবশিষ্ট নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলাএবং পার্কিং ইজারাদারদের ক্ষমতার দাপটে আজ জিম্মি দেশের দূর-দূরান্ত থেকে ঘুরতে আসা বিনোদন প্রেমী মানুষ।

​হকার দখল ও বাৎসরিক মাসোহারা বাণিজ্যঃ

​অনুসন্ধানে জানা যায়, চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ এবং পার্কিং ইজারাদারদের পরোক্ষ যোগসাজশে প্রধান ফটকের সামনের রাস্তায় সারিবদ্ধভাবে বসানো হয়েছে ভাসমান দোকান। এসব দোকান থেকে মাসিক ভিত্তিতে ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত মাসোহারা এবং এককালীন ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত অবৈধ টাকার বিনিময়ে দোকান বসার মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে।প্রভাবশালী এক মন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে পার্কিং ইজারাদাররা এসব অপকর্ম ও চাদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ সাধারণ হকার ও স্থানীয়দের।
​
​অভিযোগের শেষ এখানেই নয়; চিড়িয়াখানা গেটের বাম পাশে ‘নতুন পার্কিং’-এর অজুহাতে আসা যানবাহনের কাছ থেকে নির্ধারিত হারের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে। রসিদ ছাড়া কিংবা ভুয়া রসিদে অতিরিক্ত টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে দূর-দূরান্ত থেকে আসা বাস, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়ির চালকদের। অথচ চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ পুরো বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করে নীরব ভূমিকা পালন করছে। এতে সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের দানা বাঁধছে এবং সরকারের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
​দর্শনার্থীদের ক্ষোভ ও ভোগান্তিঃ
​পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা সাধারণ দর্শনার্থীরা জানান, মূল গেটে ঢুকতেই হকারদের হাঁকডাক এবং যানবাহনের জটলায় পড়তে হয়। হাঁটার কোনো সুনির্দিষ্ট পথ নেই। নিরাপত্তাহীনতার পাশাপাশি কেনাকাটায় প্রতারিত হতে হচ্ছে অহরহ। এ যেন এক নৈরাজ্যের সাম্রাজ্য।
​এসব বিষয়ে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তবে জাতীয় চিরিয়াখানার পরিচালকে এবিষয়ে  মুঠোফোনে একাধিকবার কথা বলার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।তবে খুদে বার্তায় বিষয়টি দেখায় কথা বলেন।  পার্কিং কর্তৃপক্ষের ক্ষমতার উৎস ও চিড়িয়াখানার ভেতরের অন্যান্য চাঞ্চল্যকর অনিয়মের বিস্তারিত নিয়ে তথ্য নিয়ে আসছে বিস্তারিত আসছে দ্বিতীয় পর্বে…