ঢাকা ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
মিরপুরে পুলিশের চেকপোস্টে সংকেত অমান্য করে পালানোর চেষ্টা, বিদেশি পিস্তলসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে সাংবাদিকের বাবা হত্যা মামলার প্রধান আসামি তুহিন গ্রেফতার সাতক্ষীরার তালায় গোবরের গর্তের পানিতে পড়ে দুই বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা তেল ছাড়াই নরম ও ফুলকো আলুর পরোটা তৈরির সহজ রেসিপি মাগুরায় বাস-অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ: ভিবিডির ৪ স্বেচ্ছাসেবকের মর্মান্তিক মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে শাফায়াত রাব্বি আরাফাতকে চান তৃণমূল নেতাকর্মীরা নগরঘাটা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাহিনুর রহমান শাহিনের ঘরে পুত্রসন্তান, হাসপাতালে শুভেচ্ছা জানাতে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা বিষাক্ত মদপানে শ্রীপুরে দুই যুবকের করুণ মৃত্যু, পরিবারে শোকের ছায়া সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে তরুণদের সোচ্চার থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বগুড়া-৬ আসন ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তরুণ নেতৃত্ব চায় জেলায় নতুন সমীকরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বহুল আলোচিত বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় জেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য উপনির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে।
জেলার একটি বড় অংশ মনে করছে, বগুড়া-৬ ঐতিহাসিকভাবে জিয়া পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। তাই অনেকে চান, আসনটি জিয়া পরিবারের মধ্যেই থাকুক। তবে দলীয় সিদ্ধান্তে যদি পরিবারের বাইরে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তাহলে শিক্ষিত, সৎ ও তৃণমূলভিত্তিক তরুণ নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি উঠেছে।

স্থানীয়রা অতীতের উদাহরণ টেনে বলেন, ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই আসন থেকে দেশের সর্বকনিষ্ঠ এমপি হিসেবে এস.এম. ফারুককে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বগুড়া জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা কমান্ডার। তার রাজনৈতিক অবদান এখনও জেলায় স্মরণীয় হয়ে আছে।
তারই ধারাবাহিকতায় তার বড় ছেলে সৈয়দ ওয়ায়েজ করণী আকাশ বর্তমানে রাজনীতিতে সক্রিয়। ছাত্রদল থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতা ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে বগুড়া জেলা যুবদলের গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন। দলীয় আন্দোলন-সংগ্রাম ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয় তরুণদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

জেলার তরুণ প্রজন্মের অনেকেই মনে করছেন, আসন্ন উপনির্বাচনে যদি জিয়া পরিবারের বাইরে প্রার্থী দেওয়া হয়, তাহলে এমন কাউকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত যিনি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন।
বগুড়া-৬ আসনে সম্ভাব্য উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন অপেক্ষা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের। দলীয় মনোনয়ন ঘিরে জেলায় উত্তেজনা ও প্রত্যাশা দুটিই বাড়ছে।

ট্যাগস :
আপডেট সময় ১১:২১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
৮৯ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া-৬ আসন ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তরুণ নেতৃত্ব চায় জেলায় নতুন সমীকরণ

আপডেট সময় ১১:২১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বহুল আলোচিত বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ায় জেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য উপনির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে।
জেলার একটি বড় অংশ মনে করছে, বগুড়া-৬ ঐতিহাসিকভাবে জিয়া পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। তাই অনেকে চান, আসনটি জিয়া পরিবারের মধ্যেই থাকুক। তবে দলীয় সিদ্ধান্তে যদি পরিবারের বাইরে কাউকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, তাহলে শিক্ষিত, সৎ ও তৃণমূলভিত্তিক তরুণ নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি উঠেছে।

স্থানীয়রা অতীতের উদাহরণ টেনে বলেন, ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই আসন থেকে দেশের সর্বকনিষ্ঠ এমপি হিসেবে এস.এম. ফারুককে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বগুড়া জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা কমান্ডার। তার রাজনৈতিক অবদান এখনও জেলায় স্মরণীয় হয়ে আছে।
তারই ধারাবাহিকতায় তার বড় ছেলে সৈয়দ ওয়ায়েজ করণী আকাশ বর্তমানে রাজনীতিতে সক্রিয়। ছাত্রদল থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতা ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে বগুড়া জেলা যুবদলের গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন। দলীয় আন্দোলন-সংগ্রাম ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয় তরুণদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

জেলার তরুণ প্রজন্মের অনেকেই মনে করছেন, আসন্ন উপনির্বাচনে যদি জিয়া পরিবারের বাইরে প্রার্থী দেওয়া হয়, তাহলে এমন কাউকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত যিনি জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন।
বগুড়া-৬ আসনে সম্ভাব্য উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন অপেক্ষা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের। দলীয় মনোনয়ন ঘিরে জেলায় উত্তেজনা ও প্রত্যাশা দুটিই বাড়ছে।